ই-পেপার সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ ৬ আশ্বিন ১৪২৭
ই-পেপার সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০

রয়েল বেঙ্গল টাইগার সম্পর্কে ৮টি অজানা তথ্য
প্রকাশ: রোববার, ১৬ জুন, ২০১৯, ১১:১৩ এএম
সুন্দরবনের বাঘ বিশ্বব্যাপী রয়েল বেঙ্গল টাইগার বলে পরিচিত। এ বাঘ সম্পর্কে অজানা ৮টি তথ্য জেনে নেয়া যাক এবারের অ্যালবাম থেকে।
বিড়ালের বড় প্রজাতি : বিড়াল প্রজাতির মধ্যে সবচেয়ে বড় প্রাণি বাঘ। এক একটি বাঘের ওজন ৩০০ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর বাঁচে ২৬ বছর পর্যন্ত।
শিকারি বাঘ : বলা হয়ে থাকে শিকারের জন্যই এদের জন্ম হয়েছে। এদের থাবায় ধারালো তীক্ষ্ণ নখ রয়েছে, আছে শক্তিশালী পা এবং বিশাল বিশাল দাঁত আর চোয়াল। বাঘ এক বসায় ৪০ কেজি পর্যন্ত মাংস খেতে পারে।
তপস্বী বাঘ : বাঘ সাধারণত নিশাচর এবং তার শিকারিকে নিঃশব্দে অনুসরণ করে। আর নিঃশব্দেই আক্রমণ করে। পুরুষ বাঘ নিঃসঙ্গভাবে চলাফেরা করে, বাঘিনী এবং শাবকদের ছাড়াই। বিশাল জায়গায় ঘুরে বেড়াতে পছন্দ করে তারা
পানি পছন্দ : বাড়ির বিড়ালটি নিঃসন্দেহে একফোঁটা পানি দেখলে তা এড়িয়ে যেতে চায়, তবে বাঘের ক্ষেত্রে বিষয়টা একেবারে আলাদা। এরা বেশ ভালো সাঁতারু এবং সাঁতরানোর সময় শিকার ধরতেও বেশ পটু৷
কমে আসছে সংখ্যা : এক শতাব্দী আগেও তুরস্ক থেকে চীন পর্যন্ত বিস্তৃত বনাঞ্চলে প্রায় এক লাখ বাঘ ঘুরে বেড়াত। কিন্তু এখন তাদের সংখ্যা খুবই কমে গেছে। নয় প্রজাতির বাঘের মধ্যে তিনটিই এখন বিলুপ্তি। এই ছবিতে জাভা বাঘকে দেখা যাচ্ছে, যা ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে গেছে।
কেন হুমকির মুখে বাঘ : আবাসস্থল হারানো একটি প্রধান কারণ। নগরায়ণ এবং কৃষিজমির উপর মানুষের নির্ভরশীলতা বাড়ার কারণে বাঘেরা তাদের আবাস হারিয়েছে ৯৩ ভাগ।
জলবায়ু পরিবর্তন : বাংলাদেশের বিশাল একটা অংশ জুড়ে রয়েছে সুন্দরবন ম্যানগ্রোভ অরণ্য। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সমুদ্রের পানির উচ্চতা বাড়ছে। ফলে বাঘের আবাসস্থল হারিয়ে যাচ্ছে।
বাঘ বাঁচাও : কনজারভেশন গ্রুপ ২০২২ সালের মধ্যে বিশ্বে বাঘের সংখ্যা দ্বিগুণ করার লক্ষ্যমাত্রা ঠিক করেছে। এই গ্রুপপটি বাঘ রক্ষায় নান কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।



সর্বশেষ সংবাদ

সর্বশেষ এ্যালবাম

সর্বাধিক পঠিত

ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: কমলেশ রায়, আমিন মোহাম্মদ মিডিয়া কমিউনিকেশন লিমিটেড-এর পক্ষে প্রকাশক গাজী আহমেদ উল্লাহ।
নাসির ট্রেড সেন্টার, ৮৯, বীর উত্তম সি আর দত্ত সড়ক (সোনারগাঁও রোড), বাংলামোটর, ঢাকা।

ফোন : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৬৮-৭৪, ফ্যাক্স : +৮৮-০২-৯৬৩২৩৭৫। ই-মেইল : shomoyeralo[at]gmail.com